মার্কের সুসমাচার সাক্ষ্য দেয় যে যীশু খ্রীষ্ট ঈশ্বরের পুত্র ও স্বয়ং ঈশ্বর৷ এবং এই সুসমাচার এই সাক্ষ্যও দেয় যে তিনি আমাদের ত্রাণকর্তা৷ কাজেই আমরা দেখতে পাই যে মার্কের সুসমাচারের লেখক জোরের সাথে যীশুর সাক্ষ্য বহন করে, নিশ্চিত করছেন যে তিনিই ঈশ্বর ও আমাদের ত্রাণকর্তা৷ সেই কারণেই আমি মার্কের সুসমাচারে যে যীশু খ্রীষ্ট প্রকাশিত হয়েছিলেন, জল ও আত্মার সুসমাচারের উপর ভিত্তি করে আমি যত অধিক সম্ভব তাঁর সাক্ষ্য বহন করতে চাই৷ যেটি সুস্পষ্ট সেটি হলো খ্রীষ্টীয় বিশ্বাসের মূল কথাটি জল ও আত্মার সুসমাচারে পাওয়া যায়৷ যীশু নীকদীমকে বলেছিলেন, "সত্য, সত্য, আমি তোমাকে বলিতেছি, যদি কেহ জল এবং আত্মা হইতে না জন্মে, তবে সে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করিতে পারে না" (যোহন ৩:৫)৷
তাহলে জল ও আত্মার সুসমাচারের সত্য কোথায় প্রকাশিত হয়েছে? যীশুর ও যোহন বাপ্তাইজকের পরিচর্যা কার্যের মধ্যে সবিস্তারে পরিত্রাণের এই সত্যের প্রকাশ ঘটেছে, যা হলো জল ও আত্মার সুসমাচারের সারবস্তু৷
জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস অন্য মানুষের আত্মায় খুব শক্তিশালী একটি প্রভাব বিস্তার করে৷ এই সুসমাচারে বিশ্বাস প্রতিটি বিশ্বাসীকে পবিত্র ঈশ্বরের সাক্ষাতে, পবিত্র আত্মার পরিচালনার অধীনে আসতে এবং যীশু খ্রীষ্টের সাথে একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্থাপন করতে সমর্থ করে৷ এই ধরনের বিশ্বাস আমাদেরকে "আত্মিক যাজকত্ব" প্রাপ্ত করবার সুযোগ দেয়৷ আমাদের অবশ্যই জল ও আত্মার সুসমাচারের প্রত্যাদেশ ও আমাদের বিশ্বাস অনুসারে প্রচার করতে হবে যে যীশু খ্রীষ্ট আমাদের ত্রাণকর্তা৷ কাজেই আমরা চাই না যে জল ও আত্মার সুসমাচার কেবলমাত্র আমাদের সম্পত্তি হয়ে রয়ে যাক৷ জল ও আত্মার এই সুসমাচার হলো সেই সুসমাচার যা জগতের সর্বস্থানের প্রত্যেকটি মানুষকে বলা উচিত৷